বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত আমন ধানের আবাদ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত - বরিশালের খবর-Barishaler Khobor

বাংলাদেশ, ১৬ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২

বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত আমন ধানের আবাদ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত - বরিশালের খবর-Barishaler Khobor

বাংলাদেশ সঙ্কটে পড়লে আ. লীগ সরকার মানুষের পাশে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী বরিশালে ফ্যামিলি কার্ড বিতরন উজিরপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে ২লক্ষাধিক টাকার মৎস্য নিধন দেশের ১১ অঞ্চলে ৬০ কি.মি বেগে ঝড়ের আভাস: আবহাওয়া অফিস মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক হচ্ছে, না পরলে শাস্তি চলেছ নিষেধাজ্ঞা : তারপরও পোর্টরোড মোকামে ট্রাকে ট্রাকে আসছে ইলিশ মসজিদে শিশু-বয়স্কদের যাওয়া নিষেধ: ধর্ম মন্ত্রণালয় বরিশাল ক্যাডেট কলেজে নব নির্মিত ক্যাডেট হাউসের উদ্বোধন করলেন সেনা প্রধান ঢাকা-ভাঙা এক্সপ্রেসওয়ের প্রতি কিলোমিটারে টোল ১০ টাকা: সেতু মন্ত্রণালয় দেশে ৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস : আবহাওয়া অধিদ্প্তর


বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত আমন ধানের আবাদ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২১ জুন, ২০২২ ২:৪৯ : অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল আমন ধানের জাত পরিচিতি, চাষাবাদ পদ্ধতি, বীজ উৎপাদন এবং সংরক্ষণ কৌশল বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুন) বাবুগঞ্জ উপজেলায় বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন বিনার মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. ছয়েমা খাতুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মোসাম্মৎ মরিয়ম।

অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, স্থানীয় উপসহকারি কৃষি অফিসার মো. নুরুল ইসলাম, কৃষক ইউনুছ মোল্লা প্রমুখ। প্রধান অতিথি ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম বলেন, বিনা উদ্ভাবিত আমন ধানের জাতগুলো স্বল্পকালিন। এর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলে শস্যনিবিড়তা বাড়াতে সহায়ক হবে। আর এব্জন্য কেবল মাঝারি ও মাঝারি উঁচু জমি নির্বাচন দরকার। তবেই আমনের ফসল তোলার পর ওই জমিতে সরিষা চাষ করা সম্ভব। পরে করা যাবে মুগডাল।

বিনার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. ছয়েমা খাতুন জানান, বরিশাল অঞ্চলের জন্য বিনা ধান-১১, বিনা ধান-১৭, বিনা ধান-২০ এবং বিনা ধান-২৩ বেশ উপযোগী। এর মধ্যে বিনা ধান-১১ জলমগ্নসহিষ্ণু। বিনা ধান-২০ জিংক ও আয়রণসমৃদ্ধ। আর ফলনের দিক থেকে বিনা ধান-১৭ সবচেয়ে ভালো। এর হেক্টরপ্রতি গড় ফলন প্রায় ৭ টন। অনুষ্ঠান শেষে কৃষককের মাঝে বিনা ধান-১৭’র বীজ বিতরণ করা হয়। কর্মশালায় ৭৫ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

সকল নিউজ