কারামুক্তি পাওয়া সাগর ও সাগরিকার মাকে সেলাই মেশিন উপহার - বরিশালের খবর-Barishaler Khobor

বাংলাদেশ, ২রা ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, বুধবার, ১৭ আগস্ট ২০২২

কারামুক্তি পাওয়া সাগর ও সাগরিকার মাকে সেলাই মেশিন উপহার - বরিশালের খবর-Barishaler Khobor

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছেন: বাণিজ্যমন্ত্রী একযোগে সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলার ১৭ বছর পুরনো এবং জরাজীর্ণ আবাসন সমস্যা সমাধানে শেবাচিম শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ দেশ একটু ভালো অবস্থানের দিকে গেলে চক্রান্ত শুরু হয় : প্রধানমন্ত্রী নৌ পথে অতিরিক্ত ভাড়ায় ক্ষুব্ধ যাত্রীরা : বেশী ভাড়া আদায়ের অভিযোগ বরগুনায় পুলিশের এতটা বাড়াবাড়ি ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পৌরসভার মাটির সড়ক পাকা করনে ধান গাছ লাগিয়ে প্রতিবাদ সেই ক্রেন দিয়েই সরানো হলো গার্ডার, গাড়ি থেকে বেরোল ৫ লাশ নতুন প্রজন্মের হাত ধরেই স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা পাবে : সাদিক আবদুল্লাহ চকবাজারে আগুনে ৬ জনের মৃত্যু: ফায়ার সার্ভিস


কারামুক্তি পাওয়া সাগর ও সাগরিকার মাকে সেলাই মেশিন উপহার

প্রকাশ: ২৯ জুন, ২০২২ ১০:১৪ : অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : চেক প্রত্যাখ্যান মামলায় আদালতে যখন এক বছর সাঁজা হয় তখন ৯ মাসের সন্তান সম্ভাবা ছিলেন বরিশালের আগৈলঝাড়ার হতদরিদ্র গৃহবধূ টুম্পা বাড়ৈ (২৮)। কারাবাসের ১ মাসের মধ্যেই সেখানে ফুঁটফুঁটে দুই জমজ ছেলে-মেয়ের জন্মদেন তিনি। কারাগার পরিদর্শনে গিয়ে ওই দুই শিশুর দিকে বিশেষ দৃস্টি পড়ে জেলা প্রশাসন এবং সমাজ সেবা অধিদপ্তর কর্মকর্তাদের। এক বছর কারাভোগ শেষে বুধবার (২৯ জুন) বিকেলে মুক্তি পাওয়ার পর সেই টুম্পাকে ডেকে সেলাই মেশিন এবং তার দুই শিশু সন্তানের খাদ্য সামগ্রী কেনার জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দার। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে পুনর্বাসন সহয়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রবেশন কর্মকর্তা সাজ্জাদ পারভেজ সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। সেলাই মেশিন এবং শিশুর খাদ্যে সহায়তা পেয়ে আপ্লুত জমজ দুই সন্তান সহ মোট ৩ সন্তানের জননী টুম্পা বাড়ৈ।

সমাজ সেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন কর্মকর্তা সাজ্জাদ পারভেজ জানান, ৫ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় গত বছর ৩০ জুন বরিশাল যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে ১ বছরের দন্ড হয় টুম্পার। তখন তিনি সন্তান সম্ভাবা ছিলেন। ৭ জুলাই কারাগারে দুই জমজ সন্তান (সাগর ও সাগরিকা) প্রসব করেন তিনি। কারাগার পরিদর্শনে গিয়ে বিষয়টি তাদের দৃস্টিতে পড়ে। গত ঈদে ওই দুই শিশুকে নতুন পোষাক দেয় সমাজসেবা বিভাগ। কারাভোগের পর গতকাল মুক্তি পায় টুম্পা। এ খবর জানতে পেরে তাৎক্ষনিক টুম্পাকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে একটি সেলাই মেশিন এবং শিশু খাদ্যের জন্য নগদ ২ হাজার টাকা সহায়তা তুলে দেন জেলা প্রশাসক। কারাবাসের সময় সেখানে সেলাই কাজের প্রশিক্ষন নেন তিনি। নতুন সেলাই মেশিনের মাধ্যমে টুম্পা স্বাবলম্বি হবেন বলে আশা করেন জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দার।

চট্টগ্রামে একটি কোম্পানীর দারোয়ান ছিলেন টুম্পার স্বামী আগৈলঝাড়া উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের হৃদয় পান্ডে। করোনাকালে চাকুরী হারানোর পর নিজ বাড়িতে অসুস্থ অবস্থায় বেকার দিন কাটছে তার।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

সকল নিউজ